Sree Sundarananda Thakur (শ্রী সুন্দরানন্দ ঠাকুর)
চৈতন্য যুগে তিনি নিত্যানন্দ প্রভুর অন্তরঙ্গ সঙ্গী হিসেবে আবির্ভূত হন। চৈতন্য চরিতামৃত ও চৈতন্য ভাগবত—উভয় গ্রন্থেই তাঁর ভক্তি, অনন্য সেবাভাব ও অলৌকিক কীর্তির উল্লেখ পাওয়া যায়। ভক্তি ও সাধনায় তিনি নিজেকে সম্পূর্ণরূপে নিবেদন করেছিলেন। তাঁর জীবনের বিশেষ দিক হলো—তিনি কখনো বিবাহ করেননি। তাই তাঁর নিজের কোনো বংশধর নেই।
শ্রীবৃন্দাবন-লীলায় শ্রীকৃষ্ণের অন্তরঙ্গ সঙ্গী ও সহচরগণ ‘গোপাল’ নামে পরিচিত।
এই গোপালরা শুধু সাধারণ বন্ধু নন; তারা শ্রীকৃষ্ণের দৈনন্দিন লীলা, ক্রীড়া, অবসরের হাসি-আনন্দ থেকে শুরু করে বিপদ-কঠিন সময়ে সঙ্গদান—প্রত্যেক ক্ষেত্রে অবিচ্ছেদ্য সাথী। শাস্ত্রে উল্লেখ আছে যে, এই সখাগণ ভক্তিভাবের স্বরূপ অনুযায়ী মোট চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত।
১. সুহৃত্
সুহৃত্-শ্রেণীর সখারা শ্রীকৃষ্ণের প্রতি গভীর স্নেহে আবদ্ধ। তাঁদের সেবা-ভাব মূলত বন্ধুত্বের সঙ্গে স্নেহ ও মমতার সমন্বয়। তাঁরা কৃষ্ণের কল্যাণকে সর্বাগ্রে রাখেন এবং তাঁর যেকোনো প্রয়োজন বা সংকটে ছুটে আসেন।
২. সখা
সখারা শ্রীকৃষ্ণের সাধারণ বন্ধুবৃত্ত। তাঁরা কৃষ্ণের সঙ্গে খেলাধুলা, গোপন হাসিঠাট্টা, বনভ্রমণ, গোঁফে দই লাগানো ইত্যাদি নানা লীলায় সমভাবে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে সমান বয়সের সহজ ও নির্ভার বন্ধুত্বের সম্পর্ক প্রবল।
৩. প্রিয়সখা
প্রিয়সখারা কৃষ্ণের প্রতি অত্যন্ত গভীর এবং প্রগাঢ় স্নেহে আবদ্ধ। তাঁদের সঙ্গে কৃষ্ণের সম্পর্ক আরও আন্তরিক। তাঁরা কৃষ্ণের ব্যক্তিগত অভিরুচি, স্বভাব, শখ—এসব বিষয়ে খুবই ঘনিষ্ঠভাবে অবগত। কৃষ্ণের আনন্দ-বেদনা তাঁদের নিজের বলে মনে হয়।
৪. নর্মসখা
নর্মসখারা কৃষ্ণের সঙ্গে নিত্য হাস্য-পরিহাস, রসাল আলাপ ও নানান নর্মকৌতুকে মেতে থাকেন। তাঁরা কৃষ্ণকে হাসাতে, আনন্দ দিতে এবং পরিবেশকে প্রাণবন্ত করে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তাঁদের উপস্থিতিতে কৃষ্ণের লীলা হয়ে ওঠে আরও রসপূর্ণ, আরও উজ্জ্বল।
এই চার শ্রেণীর গোপালরা মিলে শ্রীকৃষ্ণের ব্রজ-লীলা জগৎকে করে তুলেছেন অপরূপ, প্রাণবন্ত ও চিরস্মরণীয়।
প্রিয়সখা : শ্রীকৃষ্ণের অন্তরঙ্গ সমবয়সী সখাগণের পরিচয়
বৃন্দাবনের অসীম লীলামাধুর্যের মধ্যে অন্যতম হলো শ্রীকৃষ্ণের সখাদের সঙ্গে তাঁর সখ্য-সম্পর্ক। এই সখাগণ চার শ্রেণীতে বিভক্ত—সুহৃত, সখা, প্রিয়সখা, নর্মসখা। এর মধ্যে প্রিয়সখা হলেন সেই সব সখা যারা কৃষ্ণের সঙ্গে বয়সে সমান এবং যাঁদের সম্পর্কের মূল ভিত্তি কেবল মাত্র খাঁটি রসপূর্ণ বন্ধুত্ব।
শাস্ত্রে বলা হয়েছে—
“বরস্তুল্যাঃ প্রিয়সখাঃ সখ্যং কেবলমাশ্রিতাঃ।”
অর্থাৎ, যারা কৃষ্ণের সমবয়সী এবং কেবল সখ্য বা বন্ধুত্বের রসকে আশ্রয় করে আছেন—তাঁরাই প্রিয়সখা।
প্রিয়সখাদের সঙ্গে শ্রীকৃষ্ণের সম্পর্ক সম্পূর্ণ অচঞ্চল, নির্মল এবং স্বতঃস্ফূর্ত। তারা কৃষ্ণের সঙ্গে খেলাধুলা করে, কৌতুক করে, মাঝে মাঝে রাগারাগিও করে—আবার মুহূর্তেই হেসে ওঠে। এই বন্ধুত্বের বন্ধন মোহ, ভয় বা লজ্জা ছাড়িয়ে, হৃদয়ের খোলামেলা ভালবাসায় ভরপুর।
প্রিয়সখাদের ভূমিকায় যে বৈশিষ্ট্যগুলো পাওয়া যায়
তাঁরা কৃষ্ণের আনন্দ-উচ্ছ্বাসের প্রতিটি মুহূর্তে সহচর।কৃষ্ণকে কেন্দ্র করে তাঁদের খেলাধুলা, পথচলা, বনবিহার—সবই নিখাদ বন্ধুত্বের প্রকাশ।কোনো নিয়ম-শৃঙ্খলার গাম্ভীর্য তাঁদের স্পর্শ করে না। এই সহজ-সরলতা সম্পর্কটিকে আরও প্রীতিময় করেছে।কৃষ্ণ যখন বাঁশি বাজান, তাঁরা প্রথমেই ছুটে যান তাঁর কাছে।বৃন্দাবনের বনে বনে তাঁদের হাসি-কোলাহলে লীলাভূমি মুখর হয়ে ওঠে।
প্রিয়সখাদের নাম
প্রিয়সখা শ্রেণীর প্রধান সখাগণ হলেন—
স্তোককৃষ্ণ,কিঙ্কিণী,সুদাম,অংশু,ভদ্রসেন,বসুদাম,দাম,বিলাসী,বিটঙ্ক,কলবিঙ্ক,পুণ্ডরীক,সুদামাদি এবং শ্রীদাম (এই শ্রেণীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সখা)
এই সখাগণ বৃন্দাবনের সখ্যরসকে জীবন্ত করে তুলেছেন। কৃষ্ণের সঙ্গে তাঁদের প্রতিটি মুহূর্ত এক অনির্বচনীয় মাধুর্যে অলোকিত।
নিত্যানন্দ প্রভুর উপলব্ধি:
নিত্যানন্দ প্রভুর গভীর উপলব্ধি ছিল যে সংঘশক্তি ছাড়া কোনো মহৎ ধর্মীয় বা সামাজিক আন্দোলন সফল হতে পারে না। বাংলার মানুষের মধ্যে বৈষ্ণবধর্মের মহিমা ছড়িয়ে দিতে হলে প্রয়োজন ছিল একদল নিবেদিত, শাস্ত্রজ্ঞ, ও প্রেমভক্ত সহচরের। এই কারণেই তিনি তাঁর সমপ্রাণ, সমব্যথী ও নিত্যসঙ্গী ১২ জন পণ্ডিত ভক্তকে একত্র করে তাঁদের বিশেষভাবে “গোপাল” উপাধি প্রদান করেন।
এই দ্বাদশ ভক্তকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে দ্বাদশ গোপাল তত্ত্ব, যা বৈষ্ণবধর্মীয় ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে ধর্মপ্রচার, নামসংকীর্তন, অসহায়দের সেবা, এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শনের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার গুরুদায়িত্ব প্রদান করা হয় তাঁদের। তাঁদের দ্বারা পরিচালিত এই আধ্যাত্মিক আন্দোলন শুধু ধর্মীয় জাগরণই আনেনি, বরং বাংলার সমাজ ও সংস্কৃতিকে দৃঢ়ভাবে প্রভাবিত করেছিল।
নিত্যানন্দ প্রভুর এই সংগঠিত প্রয়াসের ফলেই বৈষ্ণবধর্ম বাংলার গৃহে গৃহে, জনপদে জনপদে দ্রুত বিস্তার লাভ করে। দ্বাদশ গোপাল তাই শুধু ভক্ত নয়—
তাঁরা ছিলেন আন্দোলনের বাহক, প্রচারের অগ্রদূত এবং বৈষ্ণব ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক।
নিত্যানন্দ প্রভুর দ্বাদশ গোপাল নির্বাচন:
বাংলায় বৈষ্ণবধর্মের বিস্তারে নিত্যানন্দ প্রভু শুধু একজন আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শকই ছিলেন না—তিনি ছিলেন গণতান্ত্রিক ভাবনা, সামাজিক সমতা ও সংগঠিত শক্তির এক অগ্রগামী প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর প্রচারকাজ ছিল যুগান্তকারী, কারণ এতে ধর্মীয় অনুশাসনের পাশাপাশি সমাজ সংস্কারের গভীর বার্তাও নিহিত ছিল।
১৫১৬ খ্রিস্টাব্দে পানিহাটি চিঁড়ে-দৈ মহোৎসব ছিল সেই সামাজিক বিপ্লবের সূচনা। জাতিভেদের কঠোর বেড়া ভাঙতে তিনি একসঙ্গে ৩৬ জাতিকে বসিয়ে ভোজন করিয়েছিলেন। বাংলায় জাতিভেদ বিলোপের এটি ছিল প্রথম ও সবচেয়ে শক্তিশালী গণঘোষণা—যেখানে খাদ্যের মাধ্যমে সমতার ধর্মীয় রীতি প্রতিষ্ঠা পায়। আজও বাংলার বহু স্থানে কীর্তন শেষে এক পংক্তিতে বসে মহোৎসবের খিচুড়ি ভোজন তারই ধারাবাহিক রীতি। তাই ব্রজেন্দ্রনাথ শীলের উক্তি—
“নিত্যানন্দ বঙ্গের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ গণতন্ত্রবাদী।”
—একেবারে যথার্থ।
বৃহৎ কাজ সম্পন্নের জন্য যে সংঘশক্তি প্রয়োজন, তা নিত্যানন্দ প্রভু গভীরভাবে উপলব্ধি করেছিলেন। এই কারণেই পানিহাটির গঙ্গাতীরে চিঁড়ে-দৈ মহোৎসবের সময়েই তিনি “দ্বাদশ গোপাল” নির্বাচন করে বাংলার বিভিন্ন জনপদে শ্রীপাট স্থাপনের দায়িত্ব প্রদান করেন। গোপাল শব্দের অর্থ—কৃষ্ণের রাখাল বন্ধু, অর্থাৎ বিশ্বস্ত, নিকটতম সঙ্গী।
শ্রীসুন্দরানন্দ ঠাকুরের পরিচয়:
শ্রী সুন্দরানন্দ ঠাকুর পূর্বজন্মে বারোজন গোপালের একজন ছিলেন, যার নাম ছিল সুধামা। সুন্দরানন্দ ঠাকুর ছিলেন ব্রজের সুদাম সখার অবতার। তিনি তেজস্বী ও দিব্যদেহধারী মহাপুরুষ হিসেবে সুপরিচিত। শৈশবকাল থেকেই তিনি ছিলেন গভীরভাবে তীর্থানুরাগী এবং বিভিন্ন তীর্থে ভ্রমণ করে আধ্যাত্মিক সাধনায় নিযুক্ত হতেন। তাঁর জন্মভূমি যশোহর জেলার হলদা মহেশপুর গ্রাম।
তিনি ছিলেন একজন নৈষ্ঠিক ব্রহ্মচারী, অর্থাৎ আজীবন অবিবাহিত।তৎকালীন যশোর জেলার মহেশপুর তিনি রাধা-বল্লভের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ব্রজলীলায় তিনি সুধামা নামে পরিচিত ছিলেন—বারোজন গোপালের একজন।
বর্তমানে মহেশপুরে তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থানে শ্রীশ্রীরাধাবল্লভ ও শ্রীশ্রীরাধারমণের সেবা নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এই পবিত্র স্থানটি আজও ভক্তসমাজের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
অলৌকিক কীর্তি:
“শ্রীসুন্দরানন্দ ঠাকুর পানির ভিতরে কুন্ডীর ধরিয়া আনে সভায় গোচরে।”
তাঁর অলৌকিকতার আরেক অনন্য নিদর্শন হলো—জাম্বীর (লেবু) গাছে কদম্ব ফুল ফোটানো।
স্বাভাবিক নিয়মে যেখানে কদম্ব গাছে এই ফুল ফোটে, সেখানে লেবু গাছে কদম্ব ফুটানো কেবলই ঈশ্বরপ্রদত্ত শক্তি ও গভীর ভক্তিবলে সম্ভব। সুন্দরানন্দ ঠাকুর সেই বিরল সাধকদের অন্তর্গত, যাঁদের হৃদয়ের প্রেমানুভূতি প্রকৃতির নিয়মকেও বাঁকিয়ে দিতে সক্ষম।
এইসব অলৌকিক ঘটনাই প্রমাণ করে যে সুন্দরানন্দ ঠাকুর ছিলেন শুধু একজন ভক্ত নন, বরং নিত্যানন্দ প্রভুর অন্তরঙ্গ সঙ্গী, দিব্যশক্তি-সমৃদ্ধ আত্মা এবং পতিতপাবন নিত্যানন্দের করুণা-রূপের প্রতিচ্ছবি। তাঁর জীবনকথা ভক্তদের মনে আজও বিস্ময়, শ্রদ্ধা ও গভীর বিশ্বাস জাগিয়ে তোলে।
বনের প্রচণ্ড হিংস্র ব্যাঘ্রকেও তিনি নিজের আধ্যাত্মিক শক্তি ও দয়ার প্রভাবে বশমান করতে পারতেন। গভীর অরণ্য থেকে সেই বাঘ ধরে এনে তাঁর কানে সস্নেহে হরিনাম শোনাতেন। যে পশু স্বভাবতই ভয়ংকর ও অপ্রশমিত—তার হৃদয়েও তিনি ভক্তির আলো ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হতেন। তাঁর এই অপূর্ব লীলার মধ্যেই প্রকাশ পায় তাঁর অসীম করুণা, অলৌকিক শক্তি এবং সকল জীবের প্রতি সমান দৃষ্টিভঙ্গি।
তার আবির্ভাবকাল সম্পর্কে:
শ্রীসুন্দরানন্দ ঠাকুরের আবির্ভাবকাল সম্পর্কে শাস্ত্রীয় ও প্রাচীন বৈষ্ণব গ্রন্থে উল্লেখ পাওয়া যায় যে তাঁর জন্ম ১৪০০ শত শকাব্দের কিছু পূর্বে। জন্ম থেকেই তিনি অতুলনীয় ভক্তিভাব ও অলৌকিক শক্তির পরিচয় দিয়েছেন, যা পরবর্তীকালে তাঁকে নিত্যানন্দ প্রভুর অতি অন্তরঙ্গ সঙ্গীদের মধ্যে প্রধান আসনে প্রতিষ্ঠা করে।তাঁর জীবনযাত্রা ও লীলার শেষ পর্যায়ের সময়কালও ইতিহাসে সুস্পষ্টভাবে পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, তাঁর তিরোভাব হয় ১৪০০ শত শকাব্দের শেষ ভাগে—যখন বৈষ্ণবধর্মের প্রচার ও গৌড়ীয় আন্দোলনের উন্মেষ তুঙ্গে।পুরীধাম হইতে আগমন করে তিনি ১৪৩৯ শকে পানিহাটীর দণ্ডমহোৎসবে উপস্থিত ছিলেন। সেই মহোৎসবে তাঁর উপস্থিতি কীর্তন ও ভক্তসমাজে নতুন আনন্দের সঞ্চার করে। নিত্যানন্দ প্রভুর সান্নিধ্যে তিনি সেখানে বিশেষভাবে স্মরণীয় ভূমিকা পালন করেন।তবে ১৫০৪ শকাব্দে খেতুরীর মহোৎসব—যা ইতিহাসে গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্মের অন্যতম প্রধান সম্মেলন—সেখানে তাঁকে দেখা যায় না। গবেষকদের মতে, এই সময়ের পূর্বেই তাঁর তিরোভাব ঘটেছিল বলে অনুমান করা হয়।
স্থান-পরিচয়:
সুন্দরানন্দ ঠাকুরের জন্মস্থান ছিল তৎকালীন যশোহর জেলার মহেশপুর গ্রাম বর্তমান ঝিনাইদাহ জেলার মহেশপুর উপজেলা বণিকপাড়ায় অবস্থিত । গ্রামটি বেত্রাবতী নদীর তীরে অবস্থিত।
মহেশপুর গ্রামটি ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ের মাজিদিয়া স্টেশন থেকে প্রায় চৌদ্দ মাইল দূরে অবস্থিত। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই স্টেশনের নাম পূর্বে ছিল শিব’নবাস। পরবর্তীকালে এর নামকরণ হয় মাজিদিয়া।
তথ্যসূত্র: শ্রীশ্রীদ্বাদশ গোপাল বা শ্রীপাটের ইতিবৃৃত্ত (শ্রীঅমূল্যধন রায় ভট্ট)
“শ্রী চৈতন্য: হিজ লাইফ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস” — শ্রীল ভক্তিবল্লভ তীর্থ মহারাজ
%20copy.png)